
দরিদ্র পরিবারের সন্তান নূরনবী। তার ভবিষ্যৎ যেন থেমে যাচ্ছিল পঞ্চম শ্রেণি পেরুনোর পরই। মা-বাবা চেয়েছিলেন তাকে কাজে পাঠাতে, কারণ জীবনের বাস্তবতা বড় কঠিন। কিন্তু ছোট্ট নূরনবীর চোখে ছিল ভিন্ন স্বপ্ন—সে চায় পড়ালেখা করতে, আলকিতমানুষ হতে।
নূরনবীর স্কুল শিক্ষকরা যখন তার এই গল্প আমাদের জানালেন, তখন ডপস নির্দ্বিধায় সিদ্ধান্ত নেয়—নূরনবীর পাশে থাকবে। আজ সে গণইশহীদ মোতালেব উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষকমহোদয় তার বেতন ফি মওকুফের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা, ডপস-এর পক্ষ থেকে নূরনবীকে দিলাম নতুন স্কুল ড্রেস এবং প্রয়োজনীয় কিছু বই ও খাতা কলম।
নূরনবীর চোখে আজ আলোর ঝিলিক—এই ছোট্ট সহযোগিতাই যেন তাকে দিয়েছে নতুন এক প্রেরণা, নতুন এক সাহস।
আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সামান্য আন্তরিকতায় বহু নূরনবীর ঝরে পড়া রোধ করা সম্ভব।
ডপস সবসময় থাকবে দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে, আশার আলো হয়ে। ইনশাআল্লাহ।




